বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নীরব মানবিকতার গল্পে তারেক রহমান, প্রিমিয়ার হলো তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের প্রচারবিমুখ মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘সবার আগে হাসিমুখ’-এর প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। অসহায় মানুষ থেকে শুরু করে অবহেলিত প্রাণীর কল্যাণে তারেক রহমানের নীরব ভূমিকার নানা অজানা দিক এই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে তথ্যচিত্রটির প্রিমিয়ার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনীতে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিনেতা, গায়কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যচিত্রে তারেক রহমানের জীবনদর্শনের মানবিক দিকগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রিমিয়ার চলাকালে পর্দায় ভেসে ওঠা সহমর্মিতা ও মানবতার দৃশ্য দেখে দর্শকসারিতে উপস্থিত অনেককে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। তারেক রহমানকে নিয়ে নির্মিত এটিই প্রথম তথ্যচিত্র।

প্রদর্শনী শেষে অতিথিরা তাদের প্রতিক্রিয়ায় তথ্যচিত্রে উপস্থাপিত মানবিক উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারেক রহমান যে মানুষের পাশাপাশি প্রাণীর কল্যাণেও নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, তা অনেকেরই অজানা ছিল। তিনি বলেন, যাদের পাশে তিনি দাঁড়িয়েছেন, তারাও অনেক সময় জানতেন না সাহায্যটি কার কাছ থেকে এসেছে। এই তথ্যচিত্র তার সেই প্রচারবিমুখ মানবিক দিকটিকেই সামনে এনেছে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, তিনি তথ্যচিত্রটি দেখে বিস্মিত হয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়, বরং একজন মানুষের মানবিক সত্তার গল্পই এখানে ফুটে উঠেছে।

তথ্যচিত্রটির নির্মাতা জুবায়ের বাবু বলেন, ‘সবার আগে হাসিমুখ’ কোনো রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা নয়। এটি একজন মানুষের গল্প, যিনি রাজনীতির ব্যস্ততার মাঝেও নীরবে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে গেছেন। মানুষ ও প্রাণীর প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতাই ছিল এই তথ্যচিত্র নির্মাণের মূল প্রেরণা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা তথ্যচিত্রটির নির্মাণশৈলী ও উপস্থাপনাকে প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন। তাদের মতে, ‘সবার আগে হাসিমুখ’ শুধু একটি প্রামাণ্যচিত্র নয়; বরং মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে থাকবে।