ভারতজুড়ে পুলিশি সহিংসতার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ দেওয়া এক বার্তায় সংগঠনটি আগামীকাল শুক্রবার শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সিজেপি আয়োজকদের উদ্দেশে বলেছে, “সমাবেশে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো সবার সামনে উচ্চস্বরে পড়ে শোনাতে হবে। কর্মসূচি সফল করতে ছাত্র সংগঠন ও অন্যান্য সংগঠনকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
এর আগে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, তীব্র জ্বর ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি কয়েক ঘণ্টার জন্য যন্তর মন্তরের আন্দোলনস্থল থেকে দূরে থাকলেও সন্ধ্যার মধ্যেই আন্দোলনে ফিরে আসবেন।
এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি বলেন, সরকার চারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছে এবং আলোচনার দরজা এখনো খোলা রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পরও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে সিজেপি।
এদিকে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী মোদির ঘোষণাকে ‘ভণ্ডামি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান সংকটের জন্য সরকারই দায়ী। তিনি তিন দফা দাবি তুলে ধরে বলেন—ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা এবং আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।