বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

দল–মত ভুলে দীপেন দেওয়ানের পুনর্বহালের দাবি সাবেক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

রাঙামাটি, ৪ জুন ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান–এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দুই প্রার্থী এবার তার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। তারা হলেন পহেল চাকমা এবং আবুল বাশার। তাদের অভিযোগ, অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন্দলের কারণেই দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাঙামাটি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সাবেক এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে পহেল চাকমা পাহাড়ি আঞ্চলিক সংগঠন United People’s Democratic Front (UPDF)>–সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং আবুল বাশার গণঅধিকার পরিষদ–এর মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে পহেল চাকমা বলেন, দীপেন দেওয়ান বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হয়ে পার্বত্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তাকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা দুঃখজনক। তিনি দাবি করেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি–এর ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু চুক্তির চেতনা উপেক্ষা করে একজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়কে বিতর্কের মুখে ফেলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে আবুল বাশার বলেন, দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনা হলে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তিনি পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে উন্নয়নের সুফল সুষমভাবে বণ্টনের স্বার্থে দীপেন দেওয়ানের প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পার্বত্যমন্ত্রী পদ থেকে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে তার পদত্যাগ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধনের মতো কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়েছে।