বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপি নেতা আব্দুস সত্তার খান। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে করা তার আপিল আবেদনও প্রত্যাহার করেছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে আব্দুস সত্তার খান জানান, দেশ ও মানুষের সেবার প্রত্যয় থেকে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। তবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশন থেকে তার মনোনয়ন ও আপিল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিবৃতিতে আব্দুস সত্তার খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে দলের ঐক্য ও শৃঙ্খলা আমার কাছে সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে দলীয় সংহতি অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একজন সুশৃঙ্খল দলীয় কর্মী হিসেবে তিনি সবসময় তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবেন বলেও জানান।

নিজের এ সিদ্ধান্তের পক্ষে এলাকাবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করে আব্দুস সত্তার খান বলেন, ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে সবাই মিলে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

এর আগে গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে নিজের ফেসবুক পেইজে একটি ছবি পোস্ট করেন আব্দুস সত্তার খান। দুটি ছবিতে তারেক রহমানের পাশে আব্দুস সত্তার খানকে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থায় দেখা যায়।

উল্লেখ্য, আব্দুস সত্তার খান বরিশাল-৩ আসনের মুলাদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য। তিনি মুলাদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তিনি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার মনোনয়নপত্র জেলা রিটার্নিং অফিসার অবৈধ ঘোষণা করলে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।