বাজারে ভরপুর তরমুজ। ইফতারের টেবিল থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়নে তরমুজ খাওয়া হচ্ছে খুব। আবার তরমজের জুসও অনেকের খুব পছন্দ। কিন্তু তরমুজ খেতে খেতে এর কতটা বিচি পেটে চলে যাচ্ছে সেই হিসেব কি রাখছেন।
তরমুজের বিচিতে থাকা ফোলেট, লৌহ এবং খনিজ অংশ ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, তরমুজের মতো এর বিচিও আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। তবে তা কীভাবে আমাদের শরীরে উপকারে আসে তা জেনে নিই-
এককাপ তরমুজের শুকনো দানায় রয়েছে ৬০০ ক্যালোরি। এছাড়া তরমুজের বিচিতে রয়েছে শর্করা, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড খাদ্যআশঁসহ গুরুত্বপূর্ণ আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক, ফোলেট, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-বি৬ ইত্যাদি।
১. তরমুজ বিচিতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখে। এটি হৃদপিন্ডের কার্যক্রমকে স্বাভাবিক ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়াও তরমুজের বিচিতে স্টিরুলাইন নামে একটি পদার্থ রয়েছে যা অ্যাওর্টিক রক্তচাপ কমিয়ে হার্টকে রক্ষা করে।
২. তরমুজের বিচিতে থাকা ফোলেট, লৌহ এবং খনিজ অংশ ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। এছাড়াও তরমুজের বিচির ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এ ব্যাপারে সাহায্য করে।
৩. ‘জিংক’ পুরুষ প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চীনা একটি গবেষণার মতে, জিংক পুরুষদের শুক্রাণুর মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পারে। তরমুজ ও এর বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ থাকে। মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের মতে, ম্যাঙ্গানিজ পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করতে অবদান রাখে।
৪. ইরানি একটি গবেষণা বলছে, তরমুজ বিচি গ্লাইকোজেন স্টোরগুলোর সংশ্লেষণের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা ডায়াবেটিস চিকিৎসায় সহায়তা করে।
৫. তরমুজের বিচে অনেক বেশি অ্যামিনো অ্যাসিড এল-আরজিনাইন থাকে। গবেষকদের দাবি, এল-আরজিনাইন দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ায়। এতে ক্ষত ভালো হয় দ্রুত।