বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় প্রার্থী আরিফুল ইসলাম

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকালে হামলার ঘটনায় নিজের ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোট সমর্থিত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় গেলে নূরপাড়া আলিম মাদরাসা মাঠের কাছে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তার অভিযোগ, বিএনপির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে এই হামলা হয়।

তিনি আরও বলেন, হামলার সময় দিদার মোল্লার সঙ্গে মোহাম্মদ সেলিম মিয়া, মো. ইসরাফিল, মোহাম্মদ নাহিন, মোহাম্মদ রানা আহমেদ ও সোহেল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় নূরপাড়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, জামায়াতে ইসলামের স্থানীয় কর্মী রিয়াজুল হোসেন, ইনসাফের সাইফুল ইসলামসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।

নিজের ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে আরিফুল ইসলাম বলেন, তারা সবাই সাধারণ পরিবারের মানুষ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গেই চলাফেরা করেন। এ ধরনের অতর্কিত হামলা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আব্দুল্লাহপুরে তাদের নির্বাচনী কার্যালয়ের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং খিলক্ষেতে কার্যালয় উদ্বোধনের সময় নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতাতেই ডুমনি এলাকায় হামলা হয়েছে বলে তার দাবি।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থী পরিকল্পিতভাবে সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি করছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল ৪টায় উত্তরার আজমপুর থেকে তাদের গণমিছিলের কর্মসূচি থাকলেও একই এলাকায় বিকেল ৩টায় বিএনপি প্রার্থী প্রস্তুতি কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন, যা উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে ডুমনি এলাকায় হামলার সঙ্গে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয় এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।