বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ঢাকায় ১৭২০ ঈদ জামাত, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুত’ বলে ডিএমপি

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

রাজধানী ঢাকা-তে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ১২১টি ঈদগাহ ও ১৫৯৯টি মসজিদে মোট ১৭২০টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই, তবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ৩৫ হাজারেরও বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন। এছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকার অন্যান্য স্থানে অনুষ্ঠিতব্য জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি সমন্বিত ও সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিস্তারিত:

  • প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর
  • জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ও আশেপাশে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং
  • প্রধান তিনটি সড়কের (মৎস্যভবন, প্রেস ক্লাব, শিক্ষাভবন) প্রবেশ মুখে ব্যারিকেড ও তল্লাশি ব্যবস্থা
  • নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক গেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
  • ডগ স্কোয়াড, স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং বোম্ব ডিসপোজাল টিম স্ট্যান্ডবাই
  • সোয়াট, সাদা পোশাকে ডিবি ও সিটিটিসি সদস্যদের দায়িত্ব পালন

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসের টেন্ডার এবং মেডিকেল ইমারজেন্সি টিম প্রস্তুত থাকবে। বায়তুল মোকাররম কেন্দ্রিক আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা:

  • জিরো পয়েন্ট ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, প্রেস ক্লাব লিংক রোড সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে পুলিশের ডাইভারশন
  • মুসল্লিদেরকে পায়ে হেঁটে প্রবেশ এবং নির্ধারিত পার্কিংয়ের বাইরে গাড়ি নিয়ে আসা এড়ানোর জন্য অনুরোধ

ডিএমপি কমিশনার মুসল্লিদের প্রতি অনুরোধ করেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশি কাজে সহায়তা করতে হবে, গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে, ব্যাগ বা কোনো বস্তুর প্রবেশ নিষিদ্ধ। সন্দেহজনক কিছু দেখা গেলে নিকটস্থ পুলিশ বা ৯৯৯-এ জানাতে হবে।

ডিএমপি নিশ্চিত করেছে, ঈদ উপলক্ষে ঢাকার নিরাপত্তা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার জন্য যথেষ্ট পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকবে এবং ওভার স্পিডিং প্রতিরোধে পুলিশের সার্জেন্টরা দায়িত্ব পালন করবেন।