ঈদুল ফিতরের আগের দিনের শপিং-এর চিত্রে বদল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজধানীর স্টেশনারি দোকানগুলোতে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ডের চাহিদা আগের মতো নেই। মূল কারণ: ডিজিটাল যোগাযোগের প্রাধান্য, যেখানে মানুষ এখন মোবাইল ফোন, মেসেজিং অ্যাপ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় করছে।
প্রধান মন্তব্য:
- ২৬ বছর ধরে এই ব্যবসায় যুক্ত বিক্রেতা আলী আজম বলেন, আগে ঈদে ক্রেতাদের চাপ এত বেশি ছিল যে ইফতারের সময়ও দোকান খোলা রাখতে হতো। এখন সেই দিন নেই; কার্ড থাকলেও ক্রেতা নেই।
- পুরানা পল্টনের স্টেশনারি দোকানগুলোর মালিকরা বলেন, ঈদ কার্ড ছাপালেও বিক্রি হয় না। ডিজিটাল কার্ড ও সামাজিক মিডিয়া পোস্টের কারণে বাজার হারিয়ে গেছে।
- ডিজিটাল গ্রাফিক্সের সুবিধা: কম খরচ, দ্রুত বিতরণ, হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানো। কিন্তু কাগজের কার্ডে থাকা ব্যক্তিগত স্পর্শ ও আবেগ ডিজিটাল মাধ্যমে পুরোপুরি আসে না।
- অনেকে এখনও বিশেষ মানুষের জন্য কাস্টম ডিজিটাল কার্ড বানান, তবে তা সংখ্যা কম।
উপসংহার:
ঈদ কার্ডের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ডিজিটালের কারণে লুপ্তপ্রায়, তবে ব্যক্তিগত স্পর্শ ও আবেগের জন্য কিছু মানুষ এখনও কাগজের কার্ডের প্রতি আকৃষ্ট।