ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিউল্লাহর বিরুদ্ধে এক নিরাপত্তা প্রহরীকে শারীরিক নির্যাতন ও অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নিরাপত্তা প্রহরী মো. ইসমাইল হোসেন প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন-এর সচিব এবং রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অফিস বন্ধের দিন বিকেলে অফিস কক্ষের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হঠাৎ ইসমাইল হোসেনের ওপর চড়াও হন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
লিখিত অভিযোগে ইসমাইল উল্লেখ করেন, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগদানের পর থেকেই জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অধস্তন কর্মচারীদের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনায় দুর্ব্যবহার করে আসছেন। এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়াকে কেন্দ্র করেও তাকে মারধরের চেষ্টা ও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
অফিসের একাধিক কর্মচারীর অভিযোগ, ওই কর্মকর্তা প্রায়ই চাকরিচ্যুত করার ভয় দেখান এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এতে অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, তদন্তকালীন অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক অব্যাহতি এবং দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ পাওয়া গেলে নির্বাচন কমিশন বিভাগীয়ভাবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।