বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, “যদি এই পার্লামেন্টে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে এটি জাতির জন্য খুবই হতাশাজনক হয়ে যাবে।”
আজ (২৬ মার্চ) সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, “আমরা সম্প্রতি একটি ইউকে ভিত্তিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করেছি, যাদের উদ্দেশ্য হলো জাতীয় সংসদকে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়। এই আলোচনা শেষে আমরা তাদের কাছে আমাদের মতামত জানাই। আমাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৩তম জাতীয় সংসদটি অন্য সংসদগুলো থেকে আলাদা, কারণ এটি জুলাই আন্দোলনের পর গঠিত। এই সংসদের প্রতি দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন।”
তিনি আরও বলেন, “যুলাই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সংসদকে জাতীয় জীবনের সকল আলোচনা ও সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এজন্য সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।”
মিলন বলেন, “সাংসদদের মধ্যে সরকারি দল এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, কারণ বর্তমানে সরকারি দল একটি বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, যদি কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হয়, তাহলে তা সরকারি দলের উপর নির্ভরশীল থাকে। আমরা এ বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে সংসদে আলোচনার প্রক্রিয়া আরও সুষ্ঠু এবং কার্যকর হয়।”
তিনি আরো জানান, “একটি বড় বিষয় যা আমাদের সামনে এসেছে তা হলো, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন। আমরা দেখেছি, প্রথম থেকেই সরকারি দল ভিন্ন দিকে হাঁটছে। তারা এখনও সনদের জন্য সংস্কার পরিষদে শপথ নেয়নি এবং বিভিন্ন আলোচনা ও প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে যেতে চাচ্ছে।”
এখানে সাইফুল আলম খান মিলন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়ার পরিণতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন, এবং এটি জাতীয় সংসদ এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে সতর্ক করেন।