মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন খাতে নতুন কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সরকার।
শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রশ্নটি করেছিলেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ।
মন্ত্রী জানান, যদিও নতুন কোনো বিশেষ বরাদ্দের পরিকল্পনা নেই, তবে চলমান ও সমাপ্ত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারিত হয়েছে।
সম্পন্ন প্রকল্পের চিত্র
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়া একটি প্রকল্পের আওতায় জুড়ী ও বড়লেখায় নির্মিত হয়েছে—
- ৫০০টি সাবমার্সিবল পাম্প ও জলাধারসহ গভীর নলকূপ
- ১০০টি রিংওয়েল
- ৩২টি কমিউনিটি পানি সরবরাহ ইউনিট
- ৫২৫টি টুইনপিট ল্যাট্রিন
- ১৬টি পাবলিক টয়লেট
- ৩২টি কমিউনিটি ল্যাট্রিন
চলমান বরাদ্দ ও উন্নয়ন
মন্ত্রী আরও জানান, ‘নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প (২০২০–২০২৬)’ এর আওতায় গত ছয় অর্থবছরে—
- জুড়ী উপজেলায় ৮৩৭টি গভীর নলকূপ, ১টি পাইপড ওয়াটার স্কিম ও ১৮টি কমিউনিটি ইউনিট
- বড়লেখা উপজেলায় ১,৪১০টি গভীর নলকূপ, ১টি পাইপড ওয়াটার স্কিম ও ১৮টি কমিউনিটি ইউনিট
এছাড়া ‘গ্রামীণ স্যানিটেশন প্রকল্প’-এর আওতায়—
- জুড়ীতে ৩০০টি ও বড়লেখায় ৫০০টি উন্নত ল্যাট্রিন
- উভয় উপজেলায় ৪টি করে কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে
মন্ত্রী বলেন, এসব প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পানি সংকট নিরসন ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। নতুন বিশেষ বরাদ্দ না থাকলেও বিদ্যমান উদ্যোগের সুফল ইতোমধ্যেই জনগণ পেতে শুরু করেছে।