বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘জামায়াতের প্রতি গণজোয়ার ৫৪ বছরের অন্যায়-অনাচার বৈষম্যের বিরুদ্ধে’

প্রকাশিত হয়েছে- রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিগত ৫৪ বছরের অন্যায়-অনাচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের এ সদস্য বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে দাঁড়িপাল্লার এক অভাবনীয় বিপ্লব অর্জিত হবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১০ আসনের উদ্যোগে মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী মিছিলপূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় নতুন বাংলাদেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজের কোনো ঠাই হবে না উল্লেখকরে জসীম উদ্দীন সরকার বলেন, জনগণ বিশ্বাস করে জামায়াতের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে বাংলাদেশ এক কল্যাণ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এজন্য দেশের নারী-পুরুষ, কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে বিজয়ী করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কিন্তু অতীতে যারা জাতির উপর জুলুম করেছে, যারা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী করেছে তারা নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করতে পারে। তারা ক্ষমতা দখলের জন্য মরিয়া ওয়ে উঠবে। এরই অংশ হিসেবে তারা সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। কিন্তু সকল ভয়কে জয় করার মাধ্যমে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে ১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ও ব্যালট পাহারা দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই কেন্দ্র দখল হতে দেওয়া যাবে না। ব্যালট কারচুকি করে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন করতে দেওয়া যাবে না। প্রশাসনের কিছু লোক একটি দলের সঙ্গে আতাঁত করে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন করার চেষ্টার ছক আঁকছে। কারণ ঐ দলকে ক্ষমতায় বসাতে পারলে তাদের অতীত অপকর্মের দায়মুক্তি পাবে। তারা নিজেদের অপকর্মের দায়মুক্তির জন্য জনগণের ভোট কারচুপি করে একটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করবে। প্রশাসনের ভেতরে এবং বাহিরে নির্বাচন নিয়ে যত ষড়যন্ত হোক না কেন সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি উপস্থিত নারী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেই হাত মা-বোনদের হিজাব ধরে টান দেয়, যারা মা-বোনদের পেটে লাথি মারে তাদের ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করতে হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির পরিচালক অধ্যাপক নূর নবী মানিকের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৭ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুর রহমান, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও সহকারী জোন পরিচালক শেখ শরীফ উদ্দীন আহমেদ, ঢাকা-১০ আসন কমিটির নারী সমন্বয়ক ড. ফেরদৌস আরা খানম বকুল, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য সেলিনা পারভীন, কামরুন্নাহার তুরানী।