বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উত্তরাঞ্চলে সেনাপ্রধান

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা প্রস্তুতি জোরদার করতে উত্তরাঞ্চল সফর করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলে মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সেনাপ্রধানের এই সফরের কথা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের দায়িত্ব পালনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাপ্রধান রংপুর সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেন। সভায় ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সভায় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা, সমন্বিত দায়িত্ব পালন এবং মাঠপর্যায়ে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পরবর্তীতে রাজশাহীর ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার (বিআইআরসি)-এ অনুরূপ আরেকটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেনাপ্রধান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ বজায় রাখার জন্য সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরও সুসংহত হবে এবং নির্বাচনকালীন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।