বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জনমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে ডিসিদের দিকনির্দেশনা

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলাম

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বাহিনীর লক্ষ্য, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়েছে। সরকারের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার বিষয়ে ডিসিদের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উপদেষ্টা জানান, এ ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান-এর দর্শনও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদের কীভাবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে, সে বিষয়েও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ জনবল সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এছাড়া নির্বাচনকালীন সময়ে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন এবং বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে যে সমন্বয় (হারমনি) ছিল, তা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ডিসিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের অংশগ্রহণকে অত্যন্ত ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রশাসনিক ও প্রতিরক্ষা কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।