বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলে চাপ, মজুত স্বাভাবিক: প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, বরং চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দেশের তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে এবং নিয়মিত সরবরাহও অব্যাহত আছে। তবে হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ডিমান্ড ও সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটি ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে, যা বাজারে সংকটের ধারণা তৈরি করছে।

প্রতিমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, স্বাভাবিক সময়ে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়, সেটি এখনো একইভাবে চলছে। কিন্তু মানুষের অতিরিক্ত কেনাকাটার প্রবণতার কারণে বাজারে চাপ পড়েছে। এ পরিস্থিতিকে তিনি একটি স্বাভাবিক অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় দেশে ব্যাপক ভ্রমণ হওয়া সত্ত্বেও কোথাও তেলের অভাবে যানবাহন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। এতে প্রমাণিত হয় যে, সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় কোনো সমস্যা নেই।

জনসাধারণকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তেল মজুত না করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আতঙ্কে বেশি করে তেল কিনলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন ও সংযত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে কিছু চাপ তৈরি হয়েছে, যা আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে। এ কারণে সবাইকে সাশ্রয়ী ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না—এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এ সিদ্ধান্ত তার মন্ত্রণালয়ের নয়। বরং বিষয়টি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন দেখে থাকে এবং এখন পর্যন্ত দাম