বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রাম মহানগরের “বাহিরে হতে যাচ্ছে ৮,শত ৫০ শয্যার” দু,টি নতুন হাসপাতাল 

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও কর্ণফুলী উপজেলায় দুটি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জাতীয় উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমি (এনএপিডি) প্রতিনিধিদল হাসপাতালটি দুটি প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর ডিপিপি কার্যক্রম শুরু হবে।

 

বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী ও কর্ণফুলী উপজেলায় নতুন হাসপাতাল নির্মাণে জাতীয় উন্নয়ন ও পরিকল্পনা একাডেমি (এনএপিডি) প্রতিনিধিদল স্থান পরিদর্শন করেছে। এই পরিদর্শনটি ছিল প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে হাটহাজারীতে ৬০০ শয্যা এবং কর্ণফুলীতে ২৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

 

 

এসময় প্রতিনিধি দলকে স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য, ডিজিটাল ম্যাপ সরবরাহ ও অন্যান্য বিষয়ে তুলে ধরেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম।

 

 

এসময় ডেপুটি সিভিল সার্জন, হাটহাজারী ও কর্ণফুলী ইউএনও, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এই হাসপাতাল দুটি দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হবে এবং এরপর ডিপিপি (বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা) কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এর আগে গত নভেম্বর মাসে এই হাসপাতাল নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্টাডি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (চুয়েট)। চুয়েটের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল।

 

জানা যায়, চিকিৎসাসেবা বিকেন্দ্রীকরণ ও নগরের দুই প্রান্তের মানুষের সহজপ্রাপ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দুটি বড় হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত সপ্তাহে হাটহাজারীর ফটিকা এলাকায় প্রস্তাবিত ৬০০ শয্যার হাসপাতাল এবং কর্ণফুলীতে ২৫০ শয্যার হাসপাতালের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

 

এছাড়াও হাটহাজারীর ফটিকা এলাকায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মালিকানাধীন ২০ একর খালি জায়গা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বরাদ্দ দেয় বিটিসিএল। সংস্থার ২৩৬তম পর্ষদ সভায় এই বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া অনেক আগেই কর্ণফুলীতে স্বাস্থ্য বিভাগের খালি জায়গায় হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়।

 

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরের বাইরে এই দুটি হাসপাতাল হলে নগরের চাপ অনেকটা কমবে। হাটহাজারী ও কর্ণফুলীর মানুষ স্থানীয়ভাবে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন। প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর ডিপিপি কার্যক্রম শুরু হবে।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম মহানগর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং চিকিৎসা সেবার চাপ বিবেচনায় শহরের বাইরে এই দুটি হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা নেয় সরকার। বিশেষ করে উত্তর চট্টগ্রাম এবং দক্ষিণ চট্টগ্রাম অঞ্চলের রোগীরা বর্তমানে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। নতুন হাসপাতাল চালু হলে এসব অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন স্বা

স্থ্য সংশ্লিষ্টরা।