বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তি: তিন মাস নেগোসিয়েশনেও স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে তিন মাস ধরে চলা আলোচনায় বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, চুক্তির আলোচনা এখনো চলমান। তবে তিন মাসের নেগোসিয়েশনে যে অবস্থানে আমরা পৌঁছেছি, সেখানে দেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা হচ্ছে না। তিনি যোগ করেন, “বারবার বলেছি, আমাদের স্বার্থ রক্ষা না হলে আমরা চুক্তি করতে পারব না। সরকারও এমন চুক্তি করতে চাইবে না যেখানে দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”

বিদেশিদের হাতে বন্দর দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে

উপদেষ্টা বলেন, “কেউ বলছে বন্দর লাভজনক, তাই বিদেশিদের হাতে দেওয়া হচ্ছে—এটি বিভ্রান্তিকর। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয় পোর্ট। এখানে বড় তিনটি টার্মিনাল আছে। নতুন যে টার্মিনাল সৌদি আরবকে দেওয়া হয়েছে, সেটাও মূল কার্যক্রমের অংশ। আমরা চাই সমস্ত টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হোক, এবং প্রয়োজনে স্কিলড এক্সপার্ট আনা যাক।”

তিনি আরও বলেন, “একটি বন্দর নিজে পরিচালনা করলে লাভজনক হতেই হবে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র লাভ নয়, পুরো পোর্ট ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।”

আধুনিক বন্দরের অভিজ্ঞতা

ড. সাখাওয়াত হোসেন বিদেশে বন্দরের আধুনিকায়নের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, “চায়নায় একটি বন্দর দেখেছি যেখানে মাত্র পাঁচ-ছয়জন যুবক পুরো পোর্ট চালাচ্ছে। সব কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় এবং নিয়ন্ত্রণ কক্ষে তারা ভিডিও গেমের মতো পরিচালনা করছে।”

এতে বোঝা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরকে আরও ইন্টারন্যাশনাল মান অনুযায়ী মডার্নাইজড করার প্রয়োজন আছে।