আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (চন্দনাইশ সাতকানিয়া আংশিক) চট্টগ্রাম ১৪৷ আসনের মনোনয়ন ভাগিয়ে নিয়ে চমক দেখালেন জসিম উদ্দিন আহমেদ।
এই বিষয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত একাধিক মামলা হামলার শিকার তৃনমুলের কয়েকজনের সাথে কথা বলে ও বিভিন্ন ডকুমেন্টস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ২০২৩ সালের (৪ঠা সেপ্টেম্বর) পলাতক আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাক্ষরিত চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে জসিমকে উপ-দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়াও গত ২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় কোন প্রতীক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর একই বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগের সরকার পতনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত্য হয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা দেশ ছেরে পালিয়ে গেলে আত্মগোপনে চলে যান জসিম। সর্বশেষ গত বছরের ৪ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারেও ছিলেন জসিম উদ্দীন।
এর আগে ২০২৪ সালের ১০ জুলাই পদ্মা ব্যাংকের ঋণখেলাপির এক মামলায় চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী তানজিনা সুলতানাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। তারও আগে গত ৩০ এপ্রিল ঋণখেলাপির মামলায় জসিম ও তার স্ত্রীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ আনতে জসিম উদ্দিন হাইকোর্টে যান। ঋণের ১৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন জানিয়ে সেখানে তিনি জাল পে-অর্ডারের ফটোকপি দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জামিন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর তার জামিন বাতিল করে হাইকোর্ট।এছাড়াও একান্ত ঘনিষ্ঠ মূহুর্তে রয়েছেন বিভিন্ন আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এমপি মন্ত্রী ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে স্থিরচিত্র