মঙ্গলবার , ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চট্টগ্রামে ইতালির তৈরি পিস্তল ও গুলিসহ ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬


চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইতালির তৈরি একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৪) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুজন মহানগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ডেভিড ইমনের অন্যতম সহযোগী।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া খেলার মাঠের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার আসিফ বায়েজিদ বোস্তামী থানার ট্যানারি বটতল এলাকার মো. ইউসুফের ছেলে। অপর গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলাম হাটহাজারী থানার আমান বাজার এলাকার মৃত ফরিদুল আলমের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশের একটি দল নিয়মিত অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিল। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হলে দুই ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে তাদের আটক করে।

পুলিশ জানায়, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আসিফের পরনে থাকা প্যান্টের কোমর থেকে ডলফিনের লোগো ও ‘মেড ইন ইতালি’ খোদাই করা একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পিস্তলের ম্যাগাজিনে লোড করা ছিল দুই রাউন্ড গুলি। এছাড়া সাইদুল ইসলামের পকেট থেকে পত্রিকার কাগজে মোড়ানো আরও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলি বহনের বৈধ কোনো কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।

বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসিফের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি, দাঙ্গা, অস্ত্র আইন এবং সরকারি কর্মচারীকে আঘাত ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুটি চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।