বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

চকরিয়ায় অভিযানে গিয়ে এএসআইয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের অভিযান চলাকালে রূপন কান্তি দে (৪২) নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মারা গেছেন।

সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার হারবাং স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত রূপন কান্তি দে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কদমতলী গ্রামের বাসিন্দা মৃত হরিপদ দের ছেলে এবং তিনি চকরিয়া থানার আওতাধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় হারবাং এলাকায় জুনাইদ নামের এক আসামি ধরতে যান উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। এ সময় অভিযানে থাকা রূপন কান্তি দে আসামি ধরার চেষ্টাকালে হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় দোকানদার অহিদুল ইসলাম বলেন, জুনাইদ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেন এএসআই রূপন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হঠাৎ তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে আমরা তাকে হাসপাতালে নিতে সহায়তা করি।

এরপর রুপন কান্তি দেকে অচেতন অবস্থায় চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অন্যদিকে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া এসআই মোফাজ্জল হোসেনও অসুস্থ হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জায়নুল আবেদীন বলেন, মৃত অবস্থায় পুলিশ সদস্য রূপনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এ সময় তার শরীরে কোথাও জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হয়তো ময়নাতদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে কী কারণে তিনি মারা গেছেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, হারবাং স্টেশনের একটি দোকানে অবস্থানকালীন রুপন অজ্ঞান হয়ে মারা গেছেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং ইতোপূর্বে দুইবার স্ট্রোক করায় তার হার্টে রিংও পরানো হয়েছিল বলে পরিবার জানিয়েছে।

এদিকে সোমবার রাত ১১টার দিকে জেলা পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, এএসআই রূপন কান্তি দে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন।