শনিবার , ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কক্সবাজারে টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, নিহত দুই

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কক্সবাজারে দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে অন্তত ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি। এসব এলাকার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পানিতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন, রামু উপজেলার সাচিং মারমা (২৬) ও আমজাদ হোছন (২২)।

এদিকে, ঈদগাঁও, চকরিয়া-পেকুয়া আর রামুতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন এসব উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ।

রামু উপজেলার গর্জনিয়ার ক্যাজরবিল, ডেঙ্গারচর, পশ্চিম বোমাংখিল, জুমপাড়া, পাতালবরপাড়া, রাজঘাট, জাউচপাড়া, মরিচ্যাচার, জুমছড়ি, পূর্বজুমছড়ি, মইন্যাকাটা, পূর্ববোমাংখিল, বোমাংখিল ও মাঝিরকাটার একাংশের বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

রামুর বাসিন্দা রোমান বলেন, টানা বৃষ্টিতে রামুর বিভিন্ন নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ঢলের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহলে দেওয়ান বলেন, টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে রামুর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ঢলের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

ঈঁদগাও উপজেলার ইসলামাবাদ, পোকখালী ও ইসলামপুর এলাকার মানুষও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ভেসে গেছে মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার।

যুব রেড ক্রিসেন্টের টিম লিডার আজিজুল ইসলাম আরজু বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানিতে অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তারা রান্না করতে পারছেন না। এই মুহূর্তে ত্রাণ তৎপরতা দরকার।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম ও শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।