সোমবার , ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ২১শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

‘ওসি’ নেজামকে পেটানো সেই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার

প্রকাশিত হয়েছে- মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নেজাম উদ্দিনকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম শহীদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক এম আবু বক্কর রাজুর সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু।

তিনি বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম শহীদকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

এর আগে গত ৬ ডিসেম্বর দুপুরে নগরীর পাঁচলাইশ এলাকায় সন্তানকে স্কুলে দিতে গিয়ে মারধরের শিকার হন কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি নেজাম উদ্দিন। এ সময় জনসম্মুখে তাকে লাঞ্ছিত করে ফেসবুক লাইভ করেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শহীদুল ইসলাম। মারধরের ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

ভিডিওতে দেখা যায়, নীল শার্ট পরিহিত ছিলেন ওসি নেজাম। তাকে কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে গলা টিপে ধরতে দেখা যায় শহীদকে। এ সময় সেখানে আরও কয়েকজন যুবককে উপস্থিত ছিলেন।

ভিডিওতে শহীদ বলেন, ‘এই সেই ওসি নেজাম, যে জনতার মেয়র ডা. শাহাদাতকে, আমাদেরকে ১৫ বছর কষ্ট দিয়েছে। আজকে তাকে আমরা ধরেছি। পাঁচলাইশ থানার সামনে আমাদের দলীয় লোকজনকে জড়ো হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

ওই ভিডিওতে ওসি নেজাম বারবার অনুরোধ করতে থাকেন, সবার সামনে তাকে যেন লাঞ্ছিত না করা হয়। পরে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ওসি নেজামকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। ওসি নেজাম উদ্দিন কোতোয়ালি, বাকলিয়া, সদরঘাট ও পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।