বুধবার , ১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৬ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ঈদযাত্রায় ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি, কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীদের ঢল

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

ঈদকে সামনে রেখে দেশের প্রধান রেলস্টেশনগুলোতে বেড়েছে যাত্রীচাপ। এর মধ্যে বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের দুর্ঘটনার পর নির্দিষ্ট রুটে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজধানীর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন-এ, যেখানে প্লাটফর্মজুড়ে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্লাটফর্মের প্রতিটি কোণ যাত্রীতে পরিপূর্ণ। কেউ দাঁড়িয়ে, কেউ বসে আবার কেউ ব্যাগপত্রে ভর দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। অনেকেই পরিবারের সঙ্গে গল্প করছেন, আবার অনেকে অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় অপেক্ষা করছেন কবে আসবে তাদের কাঙ্ক্ষিত ট্রেন।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, নীলসাগর এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস-এর যাত্রীর সংখ্যাই বেশি। তবে অন্যান্য ট্রেনের যাত্রীরাও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় উপস্থিত রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে এসে অবস্থান নেওয়ায় ভিড় আরও বেড়েছে।

অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের এক যাত্রী জানান, ভিড় এড়াতে নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে এলেও এসে দেখা গেছে মানুষের ঢল। ট্রেন বিলম্বিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের চাপ আরও বেড়েছে।

অন্যদিকে একতা এক্সপ্রেসের আরেক যাত্রী বলেন, সকালে ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেন বিকেলে যাওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এতে দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা যাত্রীদের জন্য বড় ধরনের দুর্ভোগ তৈরি করেছে।

এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে কিছু ট্রেনের ছাদেও যাত্রী বহনের দৃশ্য দেখা গেছে। ৬ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের ছাদে প্লাটফর্ম থেকেই যাত্রীদের উঠতে দেখা যায়। শুধু এই ট্রেনই নয়, আরও কয়েকটি ট্রেন ছাদে যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়ে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্ঘটনার প্রভাব কেটে না যাওয়া পর্যন্ত এ ভোগান্তি অব্যাহত থাকতে পারে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই।