ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ করে রাজধানীর বৃহত্তম পশুর হাট দখলের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র গৃহীত হওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা জমা দেওয়ার শর্ত থাকলেও এক মাসেও তা বুঝিয়ে দেননি বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত এই খলনায়ক।
পাওনা পরিশোধে সিটি করপোরেশন থেকে চিঠি দেওয়া হলেও এর তোয়াক্কা করেননি ডিপজল। এ কারণে এখনো হাট ইজারার কার্যাদেশ দেয়নি সিটি করপোরেশন। তবে সেজন্য অপেক্ষা না করে ডিপজল তার দলবল নিয়ে আগের ইজারাদারকে বিতাড়িত করে হাট দখল করেছেন বলে জানা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাবতলীর পশুর হাটের ইজারার সময়কাল বাংলা সন অনুযায়ী গণনা করা হয়।
প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ থেকে নতুন ইজারাদারকে হাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আর পহেলা বৈশাখের আগেই নতুন দরপত্রের সব অনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২৯ ফেব্রæয়ারি নতুন বছরের জন্য দরপত্র আহ্ধসঢ়;বান করা হয়। দরপত্রে সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।
শর্তাবলির ১২ নম্বর শর্তে বলা হয়, দরপত্র গৃহীত হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে দরমূল্য জামানত ব্যতীত অবশিষ্ট অর্থ, অনুমোদিত দরের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর, ১০ শতাংশ আয়কর এবং ৫ শতাংশ হারে জামানতসহ সমুদয় অর্থ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের অনুকূলে ঢাকাস্থ যে কোনো শিডিউল ব্যাংক থেকে ইস্যুকৃত পে- অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট জমাদান পূর্বক কার্যাদেশ গ্রহণ করতে হবে।
এর ব্যর্থতায় দরপত্রের সহিত দাখিলকৃত জামানতের সমুদয় অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে। তবে দরপত্রের এসব নিয়ম-কানুন শুধু খাতা-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বাস্তবে সিটি করপোরেশনের এসব নিয়ম-কানুন চলেনি ডিপজলের ডেরাখ্যাত গাবতলীর পশুর হাটে। বরং টাকা চেয়ে চিঠি দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সিটি করপোরেশন। অন্যদিকে জোর করে হাট দখলে নিয়ে দোয়া ও মোনাজাত করে
হাসিল আদায় করছেন ডিপজল। সিটি করপোরেশনের কাগজপত্র বলছে, দরপত্র আহ্ধসঢ়;বানের পরে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মনোয়ার হোসেন ওরফে ডিপজল ১৭ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরমূল্য দিয়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে টেন্ডার পান। ১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্য দিয়ে দ্বিতীয় দরদাতা হন মেসার্স এইচ এন ব্রিকসের মো. লুৎফর রহমান। দরপত্রের সঙ্গে দরমূল্যের ৩০ শতাংশ হারে ডিপজল দাখিল করেন ৫ কোটি ১৪ লাখn টাকা।
দাখিলকৃত দরপত্রের সঙ্গে জামানত ইজারামূল্য ৫ শতাংশ, ইজারামূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১০ শতাংশ আয়কর, বিদ্যুৎ বিল বাবদ জামানত ১০ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্ন ফি বাবদ ৫ লাখ টাকা ধরে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা। ডিপজলের জমা করা ৫ কোটি ১৪ লাখ