অবিশ্বাস্য! মহানাটকীয় ম্যাচে সুপার ওভারও টাই হলো। সুপার ওভারে তিন বাউন্ডারির মারে ১৭ রান করেছিল আফগানরা। জবাবে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে আবারও ম্যাচ টাই করে ফেলেন প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় বার সুপার ওভারে গড়াল ম্যাচ।
রায়ান রিকেলটন আর কুইন্টন ডি ককের জোড়া ফিফটিতে ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়ায় জয়ের পথে ছিল আফগানিস্তানও। তবে শেষদিকে টানা উইকেট হারিয়ে কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে আফগানরা। শেষ ওভারে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩। হাতে ছিল এক উইকেট।
বোলিং প্রান্তে ছিলেন রাবাদার মতো অভিজ্ঞ পেসার। প্রথম ডেলিভারিটিই করলেন নো, পরের ডেলিভারি ওয়াইড! এরপর আরও একটি নো বল করেন। চতুর্থ বৈধ বলে ফজলহক ফারুকি রান আউটের ফাঁদে পড়লে ম্যাচ টাই হয়ে যায়। ১৯ দশমিক ৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।
সুপার ওভারে ব্যাটিংয়ে আসেন আফগানিস্তানের দুই ব্যাটার আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। বোলিংয়ে ছিলেন লুঙ্গি এনগিদি। প্রথম দুই বলেই দুটি বাউন্ডারি হাঁকান ওমরজাই। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে চারের পরের বলে ছক্কার মার। পরের দুই বলে দুটি সিঙ্গেলস। পঞ্চম বলে আরেকটি বাউন্ডারি পেলেন আজমতউল্লাহ। শেষ বলে এক রানের বেশি নিতে পারেননি অবশ্য। তাতেও খুব একটা অখুশি থাকার কথা না আফগানিস্তানের। স্কোরবোর্ডে ততক্ষণে ১৭ রান তুলে ফেলেছে তারা।