ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে চিঠি পাঠানোর অভিযোগ ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ। তিনি দাবি করেছেন, ওই চিঠি সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছুই জানতেন না এবং এর সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততাও নেই।
সোমবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ফারুক আহমেদ বলেন, আইসিসিকে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে তিনি অবগত নন। বিষয়টি নিয়ে তাকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ফারুক বলেন, “আইসিসিকে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানি না। পুরো বিষয়টি পড়েও দেখার সময় হয়নি। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, এ বিষয়ে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।”
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল বারবার তার নাম জড়িয়ে দেয়। এ কারণেই তিনি জনসমক্ষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছেন।
নিজের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক এই বিসিবি সভাপতি বলেন, তাকে বোর্ড সভাপতির পদ থেকে যেভাবে সরানো হয়েছিল, সেই প্রক্রিয়াও সঠিক ছিল না। এরপরও তিনি কখনও আইসিসির কাছে অভিযোগ করেননি।
ফারুকের ভাষায়, “আমাকেও বোর্ড সভাপতির পদ থেকে সরানো হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়াও ঠিক ছিল না। কিন্তু আমি আইসিসিকে কোনো অভিযোগ করিনি, একটি চিঠিও দিইনি। তাই নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।”
আইসিসির কাছে সত্যিই কোনো চিঠি পাঠানো হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি খসড়া বা চিঠির কপি তার কাছে এসেছে, তবে সেটি তিনি বিস্তারিতভাবে পড়েননি। এছাড়া চিঠিটি আদৌ আইসিসির কাছে পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত নন।
তিনি বলেন, “চিঠিটি আমার কাছে এসেছে, তবে আমি পুরোটা পড়িনি। আইসিসিতে গেছে কি না, সেটাও বলতে পারব না। এখন আইসিসির সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই।”
চিঠিতে সাবেক বোর্ড সদস্যদের সমর্থন ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেন, ওই চিঠিতে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। কেউ যদি তার স্বাক্ষর দেখাতে পারেন, তাহলে সেটি প্রমাণ করার আহ্বানও জানান তিনি।
এদিকে, বিসিবির সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কী বক্তব্য দিয়েছেন বা আইসিসি চিঠিটি গ্রহণ করেছে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চললেও আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়া বাকি রয়েছে।