জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, অমুক্তিযোদ্ধা হয়েও যারা অবৈধভাবে বা অনৈতিক উপায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন, তাদের তালিকা দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “অল্প দিনের মধ্যেই আমরা সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এবং নামসহ জাতির সামনে এই তালিকা উপস্থাপন করতে পারব। অনেক অমুক্তিযোদ্ধা তন্ত্র-মন্ত্র ব্যবহার করে তালিকায় ঢুকে তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং নিজে বিভিন্ন বেনিফিট নিয়েছেন।”
আহমেদ আযম খান আরও উল্লেখ করেন, উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ ভবনের অবস্থান ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই কাজ করছে। তিনি বলেন, “১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করা হয়েছিল। তাদের মুক্তিযুদ্ধের সনদ স্থগিত করা হয়েছিল এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। এ সুযোগে অনেক অমুক্তিযোদ্ধা তালিকায় ঢুকে পড়েছেন।”
মন্ত্রী সংসদে আশ্বস্ত করেন, এসব অনিয়ম চিহ্নিত করে মুক্তিযুদ্ধ ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বেআইনি ভাবে গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় এই প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম ত্বরান্বিত করছে।