বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অব্যবস্থাপনার খোঁজ নিতে দর্শনার্থীর বেশে চিড়িয়াখানায় হঠাৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে- শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় আজ (২৭ মার্চ) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিমন্ত্রী সাধারণ দর্শনার্থীর মতো লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটে চিড়িয়াখানার ভেতরে প্রবেশ করেন এবং প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চিড়িয়াখানার পরিবেশ, পশু-পাখির খাঁচা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য সেবা ও চিকিৎসার অবস্থা খতিয়ে দেখেন।

পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করেন এবং চিড়িয়াখানার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি প্রাণী পুষ্টি শাখায় গিয়ে পশুদের খাবারের মান ও পরিমাণ যাচাই করেন। এছাড়া, দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে পাবলিক টয়লেট সংখ্যা বৃদ্ধি, বসার স্থান সম্প্রসারণ, রাস্তা মেরামত, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন উদ্দেশ্য:
প্রতিমন্ত্রী জানান, তার পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল চিড়িয়াখানার পরিবেশ, ব্যবস্থাপনা এবং কোনো ধরনের ত্রুটি রয়েছে কি না তা সরেজমিনে দেখা। তিনি দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো শোনেন এবং তাদের প্রত্যাশাগুলো জানেন।

উন্নয়ন পরিকল্পনা:
পরিদর্শন শেষে তিনি চিড়িয়াখানার প্রায় ৭ একর বেদখল জমি দ্রুত পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা দেন এবং জানান যে, বর্তমান বাজেটের মধ্যেই চিড়িয়াখানায় দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ শুরু হবে। এছাড়া, নতুন প্রাণী আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মন্তব্য:
তিনি বলেন, “চিড়িয়াখানায় অব্যবস্থাপনা দেখতে হঠাৎ করে এসেছি, যাতে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যায়। পরিচ্ছন্নতা, বসার ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “চিড়িয়াখানাকে আরও সংগঠিতভাবে পরিচালনা করার ওপর জোর দিতে হবে এবং এটি লাভজনক ও দর্শনার্থী বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।”

উপস্থিত ছিলেন:
এই পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার এবং কিউরেটর ডা. মো. আতিকুর রহমান।