বৃহস্পতিবার , ২রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - বর্ষাকাল || ১৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অপহরণের ৪১ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে- সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

অপহরণের ৪১ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অপহরণের ৪১ দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. সাহেদুল ইসলাম সুজনকে (২২) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।অভিযুক্ত সুজন বেগমগঞ্জ উপজেলার বজরা ইউনিয়নের শীলমুদ গ্রামের মো. শহীদের ছেলে।

পুলিশ ও র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত স্কুলছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত সুজন ও তার সহযোগীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে ভিকটিমকে উত্যক্ত করে আসছিল এবং প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জোরপূর্বক তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে একই দিন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পরবর্তীতে অপহরণ মামলা দায়ের হলে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী এবং র‍্যাব-১০-এর যৌথ অভিযানে রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয় এবং প্রধান আসামি সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বেগমগঞ্জ থানার মাধ্যমে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত আসামিকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

তিনি আরও জানান, ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে অপহৃত স্কুলছাত্রী ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।