রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ, প্রশাসনে জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত, সেবাধর্মী ও জনবান্ধব মন্ত্রণালয় গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার সচিবালয়ে নৌ-পরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ—এই তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, সে জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন, এই তিনটি মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনগণের দুর্ভোগ কমানোই হবে তাদের অগ্রাধিকার।
শেখ রবিউল আলম বলেন, “রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের সম্পদ। অপচয় বন্ধ করে সেই অর্থ যেন জনগণের প্রয়োজনেই ব্যবহৃত হয়, তা নিশ্চিত করবো। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত করা হবে। প্রকৃত অর্থেই সেবাধর্মী ও জনবান্ধব মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।”
এ সময় নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়ে তাদের দায়িত্ব দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করাই হবে তাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। দেশের স্বার্থে কাজ করে জনগণের আস্থার প্রতিদান দিতে তারা প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
আরেক প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোকে আরও সেবামুখী করা, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, “কথার চেয়ে কাজে প্রমাণ দিতে চাই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চাই।”
দায়িত্ব গ্রহণের সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা কামনা করেন। পরিবহন খাতের উন্নয়ন ও সেবার মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তারা।