বিপিএল ঘিরে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। ঠিক এক সপ্তাহও বাকি নেই দ্বাদশ আসরের, তার মাঝেই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে গভর্নিং কাউন্সিল—হঠাৎই একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি বাড়ানো হচ্ছে। নোয়াখালী দলটি দেয়া হয়েছে দেশ ট্রাভেলসকে, যারা রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাওয়ায় আগে ব্যর্থ হয়েছিল।
প্রথম বিভাগ লিগ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত থাকায় বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারকে খেলানোর সুযোগ করে দিতেই দল বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন গভর্নিং কাউন্সিলের কর্মকর্তারা।
বিপিএল নিয়ে অনিশ্চয়তা বহুদিন ধরেই। সময় কমলেও একের পর এক বৈঠক করছে গভর্নিং কাউন্সিল। ক্রিকেট বোর্ড চাইছে ছয় দল নিয়ে আয়োজন করতে। পাঁচ পুরোনো দলের সঙ্গে নতুন সংযোজন নোয়াখালী। তবে হঠাৎ পাওয়া সুযোগে এত কম সময়ে দেশ ট্রাভেলস কিভাবে দল গোছাবে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। অন্য দলগুলো ইতোমধ্যেই সরাসরি চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারদের দলে টেনে নিয়েছে।
এদিকে বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর বয়কটের কারণে প্রথম বিভাগ লিগ স্থগিত হয়ে গেছে। আগামী ২৯ নভেম্বর ক্লাব কর্তাদের চা-চক্রে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ক্রিকেট বোর্ড ও কোয়াব। তবে বিদ্রোহী ক্লাবগুলো সেখানে অংশ নেবে না, এমনই ইঙ্গিত মিলছে। এই অচলাবস্থার মধ্যেই যাতে অধিকাংশ ক্রিকেটার মাঠে নামতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই নতুন দল যুক্ত করার ব্যাখ্যা দিচ্ছে বোর্ড।
এসবের পাশাপাশি প্রত্যাশিত ব্যাংক গ্যারান্টিও এখনও পায়নি বিসিবি। নিলামের জন্য ক্রিকেটারদের তালিকাও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর হাতে পৌঁছায়নি।
তবুও বিসিবি আশাবাদী—সব অনিশ্চয়তার মাঝেও বিপিএল আয়োজন করা হবে ঠিকই। দুয়েক দিনের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলন ডেকে পুরো পরিস্থিতি পরিষ্কার করবে বোর্ড।