স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার

post top

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। বুধবার (৫ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় তিনি দেখা করতে যান বলে জানা গেছে

সিসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা মন্ত্রীকে জানান শামীম ইস্কান্দার। একইসঙ্গে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে অনুমতির জন্য মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় শামীম ইস্কান্দার ৫-৭ মিনিট অবস্থান করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামীম ইস্কান্দার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে সোমবার (৩ মে) খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার বিষয়ে আলাপ করেন। তারই ধারাবাহিকতা আজ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করা হলো।

একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়াকে সৌদি আরবে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে।

 খালেদা জিয়া যেহেতু অসুস্থ, তাকে বিদেশ নিতে হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নিতে হবে। সেটাও ঠিক করা আছে। অনুমতি পেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গৃহকর্মী ফাতেমা ছাড়া আর কে কে যাবে সেটা লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে।

গত সোমবার (৩ মে) সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন। এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সেদিন তার বাসভবন ফিরোজায় আরও ৮ জন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন। ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

পরে ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। 

৭৫ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত। প্রায় আড়াই বছরের মতো কারাগারে ছিলেন তিনি। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়’ শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়াকে সাময়িক মুক্তি দেয়। দুই দফায় এ মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

6 − 6 =