শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাবলিক পরীক্ষায়

post top

আসছে নভেম্বরে দেশের প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থী চলতি বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে অবশেষে এই পরীক্ষা বাতিল করা হলো।

কেন্দ্রীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষা বন্ধের বিষয়ে শুরু থেকেই বিশেষজ্ঞরা কথা বলে আসছিলেন। তারা বলছেন, এই পরীক্ষা শিশুদের মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই শুধু এবছরই নয়, একেইবারে বন্ধ করে দেয়া উচিত শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা।

এবছর করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইমেরিটাস অধ্যাপক শিক্ষাবিদ ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘শিশুদের জন্য এতগুলো পরীক্ষা কোনভাবেই কাম্য নয়। আর পাবলিক পরীক্ষা তো কোন ভাবেই নয়। এটা তাদের মানসিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত করে।’

মঙ্গলবার মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইডি) পরীক্ষা এবার না নেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানায় সরকার। ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে। এবছর কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বৃত্তি দেয়া হবে না, তবে উপবৃত্তি দেয়া হবে।

প্রাথমিকের পাবলিক পরীক্ষা একেবারে বন্ধ করে দেয়া উচিত মন্তব্য করে ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘তবে তাদের যেহেতু মূল্যায়ন করতে হয়, সেহেতু শ্রেণীকক্ষের ধারাবাহিক মূল্যায়নটাই যথেষ্ট।’

‘তাই শুধু এখনই নয়, একেবারে বন্ধ করে দেয়া উচিত প্রাথমিকের পাবলিক পরীক্ষাটা। প্রয়োজনে আগের অবস্থায় অর্থাৎ শুধু বার্ষিক পরীক্ষাতেই চলে যাওয়া যেতে পারে।’

print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 4 =