’’মা-বাবাকে ভালোবাসলে পৃথিবীতে ই পেয়ে যাবে তার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার’’যাহার উদাহরণ সমর !

post top

“মা-বাবাকে ভালোবাসলে  পৃথিবীতে ই পেয়ে যাবে তার শ্রেষ্ঠ পুরস্কার (উল্লেখিত আল হাদিস, মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত )”

“তুমি জান্নাত চেওনা বরং তুমি দুনিয়াতে এমন কাজ কর যেন জান্নাত তোমাকে চায়।”[হযরত আলী (রহঃ)]”

 

 মোঃ দিদারুল ইসলাম উপসম্পাদক জাতীয় দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকা ।

 

হতদরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে থাকা এমন একটি মানুষ  যার কাছ থেকে আমার দেখা মতে কোন মানুষ কখনো খালি হাতে ফিরে যায়নি, সে মানুষটি হলো মা-বাবা প্রেমিক একজন আদর্শবান মানুষ তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান। তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের অসহায় ও গরীব দুঃখী মানুষের একমাত্র ভরসা জনবন্ধু মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর।

তার কিছু বাস্তব কথা প্রকাশ করতে যাচ্ছি আপনাদের মাঝে যা আমি নিজে দেখেছি।

 বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবী যখন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর প্রাদুর্ভাবে মানুষ জখন গৃহবন্দী ঠিক সেই সময় দিনমজুর দৈনিক খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ যখন খাবারের জন্য হাহাকার করছে রাতের আধারে এই মা-বাবার আদর্শ বান ছেলেটাই নিজ কাঁধে চালউ, ডাল, তোল,আলু সহ খাদ্য সামগ্রী বহন করে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে আসেন।

এবং তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বাসিকে আশ্বস্ত করেন, আমার ইউনিয়নে একটি মানুষ অনাহারে থাকবে না, মধ্যবিত্ত থেকে নিম্নআয়ের সকল মানুষের জন্য ওয়াসিল উদ্দিন ফাউন্ডেশন ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন করোনাভাইরাস কন্ট্রোল রুমের অর্থায়নে মেডিকেল ক্যাম্প এবং অনলাইন ভিত্তিক চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করেন।

ঈদের আগে এক মিনিটের ঈদ বাজার এর আয়োজন করে যেখান থেকে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে  পোশাক বস্ত্র ও বৃদ্ধ মা এবং বাবা দের জন্য শিশু থেকে সকল বয়সের নাগরিকদের জন্য ঈদ বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করেন।

পাশাপাশি অসুস্থদের জন্য মোবাইল মেডিকেল টিম গঠন করেন, যারা ফোন কলের মাধ্যমে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা সহায়তা এবং ওষুধ বিতরণ করেন।

 

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, এই দেশে বর্ষার সিজেন ভারী বর্ষণের ফলে দেশের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়, তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ এর চলমান বন্যায় সাভার উপজেলার আওতাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে পড়েছে সেই বন্যার প্রাদুর্ভাব, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে  বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়।

সেসব বন্যা কবলিত মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সুযোগ্য চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, তিনি কোমর সমান পানির মধ্যে দিয়েও মানুষের বাড়ি যেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে দেয়া  উপহার খাদ্য  সামগ্রী মানুষের মাঝে পৌঁছে দিয়ে আসেন।

আমি মন-প্রাণ থেকে ব্যক্তিগতভাবে দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রাণপ্রিয় ভাই ফখরুল আলম সমর থাকবেন অনন্ত কাল এভাবেই মানব সেবা দিয়ে যাবেন চিরকাল ।
আমি মা ভক্ত অনেককে দেখেছি কিন্তু দেখেনি আপনার মত মা পাগল কাউকে যে কিনা প্রত্যেকটি কাজেই মায়ের প্রতি সব সময় ভালোবাসা রাখেন অফুরন্ত,এবং মায়ের জন্য দোয়া চাওয়া দেখে আমি খুব বেশি মুগ্ধ আপনার এই ভালবাসা দেখে আমার মা বাবার প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ব অনেক বেড়ে যায়। 

যে এত বেশি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা থাকে মা এবং বাবার প্রতি সেটি আপনার কাছ থেকে শিখার মত সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে খুব বেশি ধন্য মনে করি, সেই জন্য আপনার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

 

কত পাগল দেখেছি কিন্তু কোনো জায়গায় দেখিনি আপনার মত মানবপ্রেমী। আমি কখনো দেখিনি কাউকে যে কিনা বিনদু পরিমান অহংকার ও ঘৃণা না করে অতি দরিদ্র যে কোন সাধারন মানুষ কে বুকে জড়িয়ে  নিতে একটুও দ্বিধাবোধ করেন না। এইসব কাজ তখনই সম্ভব হয় একজন মানুষের প্রতি যদি বাবা মার দোয়া ভালোবাসা এবং আদর্শ থাকে। আমি ধন্য এবং আমি গর্বিত এমন একজন মা প্রেমি মানুষের সংস্পর্শে থাকতে পেরে,

আমি যতক্ষণ তার পাশে থাকি  সবসময় টুকুই ব্যয় করি তার কাছ থেকে ভালো কিছু শেখার জন্য শুধু কেলাসে পাঠদান করালেই শিক্ষক হওয়া যায়না মানুষের আদর্শ এবং সততার মাঝে লুকিয়ে থাকে বাবা মার দেওয়া  অনেক শিক্ষা,প্রতিটি সন্তানের প্রথম শিক্ষক ই হলেন বাবা-মা।

 

আসলে প্রকৃতপক্ষে প্রত্যেকটি সন্তানেরই দরকার মা -বাবার প্রতি এরকম ভালোবাসা আদর স্নেহ রাখার কারণ পৃথিবীতে মায়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি আপন আর কেউ হয় না, সেটা কিন্তু রয়েছে, ( আল-হাদীসে এবং আল কোরআনে ও রয়েছে যার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ )

 

ছোট্ট একটি মনের আবেগ প্রকাশ করলাম ভুল ত্রুটি হলে সকোলে ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।

 

সকল মা প্রেমিক কে বলছি কখনো মায়ের মনে কষ্ট পায় এমন কিছু করবেন না প্লিজ ।

 

সবশেষে একটি কথা বলতে চাই কোন পরিচয় নয় আমার ব্যক্তিগত চেনা প্রাণ প্রিয় ব্যক্তি জন মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমর ভাইয়ের প্রতি রইল অকৃতিম ভালবাসা ও দোয়া এবং শ্রদ্ধা।

 

এই লেখাটি পড়ে যদি মা-বাবার প্রতি কিঞ্চিৎ পরিমাণ আপনার মনে ভালোবাসা জন্ম নেয় তাহলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − eight =