মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে এশিয়ায় তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ

post top

করোনা (কোভিড-১৯) সংক্রমণে বাংলাদেশ এখন পিছিয়ে নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংক্রমণের হার ছাপিয়ে গেছে। উৎপত্তিস্থল চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে অল্প দিনে। প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার। বর্তমান অবস্থার বিবেচনায় বাংলাদেশ এখন এশিয়ার শীর্ষ তিনে রয়েছে। এই অঞ্চলের মধ্যে ভারতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে। এরপরেই পাকিস্তানের অবস্থান আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

এছাড়াও ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এশিয়ায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের অবস্থান পুরো বিশ্বে ১৭তম। পরিস্থিতি খুব শিগগিরই ভালো হচ্ছে না বলেই এসব সমীকরণ জানান দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে অংশ নিয়ে অধিপ্তরের অতিরিক্ত মহাপচািল মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা শুক্রবার জানান, গত একদিনে আরও তিন হাজার ২৪৩ জনের নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সব মিলিয়ে শনাক্ত হয়েছেন এক লাখ ৫ হাজার ৫৩৫ জন। এসময় নতুন আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ৩৮৮ জনে। এছাড়াও গত একদিনে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৭৮১ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪২ হাজার ৯৪৫ জন।

তিনি বলেন, ভারতে এখন পর্যন্ত শনাক্তের সংখ্যা তিন লাখ ৮১ হাজার ৪৮৫ জন। আর মারা গেছেন ১২ হাজার ৬০৫ জন। পাকিস্তানে শনাক্তের সংখ্যা এক লাখ ৬৫ হাজার ৬২ জন। আর মারা গেছেন চার হাজার ৯৪৪ জন। বাংলাদেশে গত একদিনে নুমনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ৩২৭টি। এরমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ৪৫টি।

এ নিয়ে মোট পরীক্ষা হলো পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৮টি। গত একদিনে করোনায় যাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে পুরুষ ৩২ জন, নারী ১৩ জন। বয়স বিভাজনে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে চারজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে তিনজন।

বিভাগ অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে ২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে দুইজন করে, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে একজন করে এবং ময়মনসিংহ বিভাগে চারজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৩১ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন ১৪ জন।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত একদিনে আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৬৮৪ জন, মুক্ত হয়েছেন ২৩৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে যান ১৮ হাজার ৫৫৫ জন এবং ছাড় পেয়েছেন সাত হাজার ৮১ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১১ হাজার ৪৭৪ জন।

গত একদিনের কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে দুই হাজার ৫৮৫ জনকে। আর এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইন পালন করেছেন তিন লাখ ৩৫ হাজার ২২৬ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৬৩ হাজার ৫৪ জন।

print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 2 =