চলচ্চিত্রের প্রদর্শন ক্ষেত্র বাড়াতে হবে

post top

চলচ্চিত্রশিল্প সংকুচিত হয়ে আসার কারণে তারকাসহ বেশির ভাগ চিত্রকর্মীই ক্যারিয়ার ও পেশা নিয়ে শংকিত আছেন। কিন্তু চলচ্চিত্রশিল্পের নেতৃত্বে যারা আছেন, তারা বিভিন্ন উপায়ে এই মুমূর্ষু শিল্পটাকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। তাদের প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে যারা অন্তরায় হয়ে আসতে চাইছেন, তারাই চিত্রকর্মীদের কাছে পরিত্যক্ত হয়ে যাচ্ছেন। যারা পরিত্যক্ত হচ্ছেন তারা না থাকলেও চলচ্চিত্রশিল্পের কিছু যায় আসে না। এখন যারা পুরনো শিল্পী, বলতে গেলে তাদের চাহিদা এমনিতেও নেই দর্শকের কাছে। দু’একজন ছাড়া পুরনো প্রায় সব শিল্পীকে দর্শকই পরিত্যক্ত করে দিয়েছে। ঘরে-বাইরে পরিত্যক্তদের বোঝা চলচ্চিত্রশিল্পের স্বার্থেই বহন না করা ভালো।

চলচ্চিত্রশিল্পকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। নতুন বিষয় অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিষয়, নতুন আঙ্গিক ও অভিনব নির্মাণশৈলী, দক্ষ নবাগতদের দিয়ে ছবি নির্মাণ করলে হয়তো চলচ্চিত্র ব্যবসার আবার প্রাণ ফিরে আসতে পারে। একইসঙ্গে প্রদর্শন ক্ষেত্রও বাড়াতে হবে। অনেক আগে থেকেই একটি দাবি উঠেছে যে, দেশের উপজেলা লেভেল পর্যন্ত একটি করে সিনেপ্লেক্স অন্তত করা হোক। সে সিনেপ্লেক্সের ধারণ ক্ষমতা ২৫০ থেকে ৩০০ আসনের হলেও অসুবিধা নেই। যদি এই উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে চলচ্চিত্রের চাহিদা এমনিতেই বেড়ে যাবে। তখন নিয়মিত প্রযোজকেরও অভাব হবে না। কিন্তু নেতারা এখন যে ধীরগতি গ্রহণ করেছেন তাতে চলচ্চিত্রশিল্প ক্রমশ তলিয়ে যাওয়ার দিকে ধাবিত হচ্ছে। চলচ্চিত্রকে বাঁচাতে হলে নেতাদের জন্য এখন প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া। শুধু টিভি চ্যানেল, অনলাইন আর খবরের কাগজে বিবৃতি দিলেই। তারা নিশ্চয়ই সেজন্য নেতাও নির্বাচিত হননি।

 

print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine + nine =