গোপনাঙ্গের স্বাস্থ্যরক্ষা কথা বলতে এখনও অনেকেই স্বচ্ছন্দ নন।

post top

যৌনাঙ্গের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে চায়না অনেকেই। কিন্তু শারীরবৃত্তীয় কাজগুলি তো বন্ধ হয় না। সকলের যে সমস্যা হবেই, এমনটা নয়। কিন্তু সমস্যা হলে অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না, ঠিক কী করা উচিত। প্রাথমিক ভাবে এই ছোট ছোট সমস্যাগুলিকে অবহেলা করলে পরবর্তী কালে সেখান থেকেই বড় ধরনের কোনও সংক্রমণ হতে পারে। এমনকি, সন্তানধারণে সমস্যা হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু এই জটিল রোগগুলির সূত্রপাত হয় সচেতনতার অভাব থেকে।

১) বেশি ক্ষণ এক স্যানিটারি প্যাড পরে থাকবেন না

প্রতি মাসেই মেয়েদের ঋতুস্রাব হয়। সেই সময়ে স্যানিটারি প্যাড ব্যবহার করেন অনেকে। কিন্তু বাড়ির বাইরে প্যাড পাল্টানোর সমস্যা থাকলে একটি প্যাড অনেক ক্ষণ পরে থাকতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। তাই ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা অন্তর প্যাড পালটে ফেলার অভ্যাস করুন।

২) সুগন্ধিযুক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না

যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করতে অনেকেই সুগন্ধিযুক্ত সাবান ব্যবহার করেন। চিকিৎসকদের মতে দেহের বিশেষ এই অংশের জন্য আলাদা তরল সাবান থাকলেও, তা ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। দেহের এই বিশেষ অঞ্চলটি অতিরিক্ত স্পর্শকাতর, তাই সাধারণ জল দিয়ে পরিষ্কার করাই ভাল।

৩) মিলনের পর যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করুন

শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়ার পর, যত শীঘ্র সম্ভব জল দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করে নিন। না হলে মূত্রাশয় বা মূত্রনালিতে সংক্রমণ হতে পারে।

৪) সুতির অন্তর্বাস পরুন

ঘাম কম হয়, হাওয়া চলাচল করে এমন অন্তর্বাস পরুন। বাজারে অনেক ধরনের অন্তর্বাস পাওয়া যায়। কিন্তু চর্মরোগ চিকিৎসকরা সব সময়ে সুতির জিনিসের উপরই জোর দেন।

৫) নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

সমস্যা হচ্ছে না বলে চিকিৎসকের কাছে যাবেন না এমন অভ্যাস কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য ঠিক নয়। কারণ, এ বিষয়ে কথা বলতে অনেকেই সঙ্কোচ বোধ করেন। তাই কোনও সমস্যা হলে তা বুঝতে অনেকটা দেরি হয়ে যায়।

print

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 − 4 =