গাজীপুর শ্রীপুরে শৈলাট গ্রামের জমি জবর দখলে নিতে ভূমিদস্যুদের হামলা,আহত-৪

post top
রিপোর্টার মাসুম বিল্লাহ
গাজীপুর শ্রীপুর গাজীপুর ২নং ইউনিয়নের শৈলাট গ্রামে বসত ভিটা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কালে ভূমিদস্যুদের হামলায়  নাজমার পরিবারের ৪ ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে আশংকা জনক অবস্থায় এলাকাবাসী উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টায়,বিবাদীগন
খবর পেয়ে বাড়ীর লোক জন বেহুস অবস্তায়  নিয়ে যায়। শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামি ১/ মোঃ হেলাল উদ্দিন (৫৫) পিতা মৃত আবেদ আলী স্থানীয় গ্রাম শৈলাট ইউপি ২নং গাজীপুর উপজেলা থানা শ্রীপুর গাজীপুর ২/ মোঃ রাব্বি (২৫) পিতাঃ মোঃ হেলাল উদ্দিন স্থানীয় গ্রাম শৈলাট ইউপি ২ নং গাজীপুর উপজেলা থানা শ্রীপুর গাজীপুর ৩/ মোঃ ফজু মিয়া (৪০) পিতা মৃত মিজান স্থানীয় শৈলাট ইউপি  ২ নং  গাজীপুর  উপজেলা থানা  শ্রীপুর গাজীপুর ৪/ মোসাম্মৎ হাজেরা বেগম (৪৩) স্বামী-স্ত্রী হেলাল উদ্দিন স্থানীয় শৈলাট ২নং গাজীপুর উপজেলা থানা শ্রীপুর গাজীপুর আরও অজ্ঞাতনামা  ১০/১২ জন।
আমার স্বামীর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি সংক্রান্ত বিষয়াদী নিয়া বিরোধ সৃষ্টি করিয়া।  আমাদেরকে মারধর সহ খুন জখম করবে এবং হুমকি দিয়ে আসিতে থাকে। আমার ভাসুর বেলাল উদ্দিনসহ আমাদের পরিবারের লোকজনদের নিয়ে আমাদের বসত ঘরের ১০০ গজ দক্ষিণ পাশে আমার স্বামীর ভোগদখলীয় 
জমি নতুন করিয়া ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে।  তখন উল্লেখিত বিবাদীগনসহ  অজ্ঞাত নামা আরো ১০থেকে ১২ জন বিবাদী ধারালো দা, লাঠি, লোহা, শাবল ইত্যাদি।  দেশীয় মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সঞ্জিত হইয়া আমার স্বামীর বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া বাড়ি নির্মাণের কাজে বাধা প্রদান করে। তখন আমার স্বামী প্রতিবাদ করায় বিবাদীগন আমার স্বামীকে খুন-জখমের উদ্দেশ্য এলোপাতাড়িভাবে মারপিট শুরু করে। এবং ২নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো দা, দিয়া আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার উপরিভাগে ও স্ব-জোরে কোপ মারিয়া কাটা 
রক্তাক্ত গুরুতর জখম করেন।  
১নং বিবাদী তার হাতে থাকা ধারালো দা, দিয়া আমার ভাসুর  বেলাল উদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার উপরীভাগে স্ব-জোরে কোপ মারিয়া কাটা রক্তাক্ত গুরুতূর  জখম করেন। ৪ নং বিবাদীনির হাতে থাকা লোহা শাবল দিয়া আমার ভাসুর বেলালের মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষ্য মাথায় আঘাত করিলে আঘাতটি ডান হাত দিয়ে ডান হাতের কনুই লাগিয়া হাড়ভাঙ্গা গুরুতূর জখম হয়।  ঐ সময় আমার ভাসুরের আত্মচিৎকারে ভাসুরের ছেলে ইকবাল হোসেন আগাইয়া গেলে ১নং বিবাদীই তাকে ও হত্যার উদ্দেশ্য মাথায় কোপ মারিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করেন। 
ভাসুর ও তার ছেলে আত্মচিৎকারে ভাসুরে স্ত্রী রহিমা খাতুন তাহাদেরকে রক্ষা করার জন্য আগাইয়া গেলে ৩ নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো দা, দিয়া তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার উপরিভাগে স্ব-জোরে কোপ মারিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করেন। ৩ নং বিবাদী একজন বিবাদী আমার ছেলে নাঈম কে হত্যার উদ্দেশ্য মাথায়
 কোপ মারে ডান হাত দিয়া ফিরাইলে লক্ষ্যভ্রষ্ট হইয়া কপালে লাগে কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ৪ নং বিবাদীনির হাতে থাকা লোহা শাবল দিয়ে আমার স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তলপেটে পাড় দিয়ে আমার স্বামী এক পাশে সরিয়ে গেলে উক্ত পার তলপেটে লাগিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ঐ সময় আমাদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন আসিয়া আগাইয়া আসতে থাকলে খুন-জখমের হুমকি দিয়া চলিয়া যায় পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সিএনজি যোগে শ্রীপুর
 উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে নিয়া আসিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে জখম সেলাই বেন্ডেজ সহ ভর্তি করেন। এবং আমার ভাসুরের গুরুত্বন অবস্থা  কর্মরত ডাক্তার তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করিলে। 
 রাস্তার যানজট থাকার ভাসুরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। পরে আমি ঘটনার বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনদেরকে জানাইয়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় আসিয়া আভিযোগ দায়ের করি। 
এখন: নাজমা পরিবারের নিরাপত্তার দরকার এবং তার পরিবারের ও এলাকাবাসীর দাবী ভূমি দস্যু সন্তাসী ডাকাতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য।
print

Share this post

post bottom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

7 − 6 =