1. numanashulianews@gmail.com : kazi sarmin islam : kazi sarmin islam
  2. yoyorabby11@gmail.com : Munna Islam : Munna Islam
  3. admin@newstvbangla.com : newstvbangla : Md Didar
ইসিতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি ও আওয়ামী লীগ - NEWSTVBANGLA
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

ইসিতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি ও আওয়ামী লীগ

প্রতিনিধি
গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে
বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। সিইসির সঙ্গে দেখা করে বিএনপি বলেছে, সরকারের চাহিদা মতো নির্বাচন আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাল্টা আওয়ামী লীগ বলেছে, রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার জন্য ঢালাও অভিযোগ করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছে দুপুরে অনিয়মের অভিযোগ করে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। এরপর বিকালে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছে, বিএনপি হতাশা থেকে এমন অভিযোগ করেছে। তারা সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সিইসির সঙ্গে বৈঠকের পর বিকালে সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি কখনো বলছে ২১টি, কখনো বলছে ১০০টি কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। কিন্ত তারা কোনো তালিকা দিতে পারেনি।
বিএনপি নির্বাচনে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে নওফেল বলেন, রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকার জন্য হতাশা থেকে জাতিকে বিভ্রান্ত ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অভিযোগ করছে। নেতা-কর্মীদের ধরে নেয়া ও বের করে দেয়ার নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করতে পারছে না তারা।
টেলিফোনে বিএনপির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অরাজকতা সৃষ্টির জন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিচ্ছেন-এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান আওয়ামী লীগের এই নেতা।
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘গণমাধ্যম সূত্রে আমরা জানতে পারি যে গতকাল ( সোমবার দিবাগত রাত) রাতে বিএনপির কিছু নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির জন্য টেলিফোনে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে ফজলুল হক মিলন ও মেজর (অব.) মিজানের কণ্ঠ রয়েছে বলে আমরা বুঝতে পেরেছি। ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হচ্ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, আমরা বিশ্বাস করি, দেশের বাইরে থেকে কেউ কলকাঠি নাড়ছে এই নির্বাচনকে ঘিরে। এরই অংশ হিসেবে গত রাতে টেলিফোনে নির্দেশনা দেয়া হয়। আজকে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছে, সেই পরিকল্পনারই অংশ।
নওফেল আরও বলেন, সকাল থেকে উত্সবমুখর পরিবেশে নির্বাচন শুরু হয়। মাঝ সময়ে এসে তাঁরা এ ধরনের নির্দেশনার কথা জানতে পারেন। বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এসব করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, নৌকায় ব্যালট মারার যেসব ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, তা বিএনপির ষড়যন্ত্রেই হচ্ছে। এসব বিষয়ে ইসি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।
আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুর নাহার চাপা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর সবুর এবং দলটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবীর কাওসার।
অন্যদিকে, এর আগে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল সিইসি’র সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠক শেষে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচন সরকারের চাহিদা মতো নির্বাচন দিয়ে আগামী বাংলাদেশের ‘গণতন্ত্রের কবর রচনা’ করেছেন সিইসি। তাঁরা আপাতত আর কোনো অভিযোগ জানাতে চান না। সরকার যেভাবে চেয়েছে, সেভাবে সাজানো নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান ক্ষোভের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়েছেন।
বুলু বলেন, গাজীপুরে নির্বাচন কীভাবে হয়েছে তা দেশবাসী দেখেছে। গাজীপুরে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়ার ব্যাপারে সেখানকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের থেকে পুলিশের ভূমিকা বেশি ছিল। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির (গাজীপুরের এসপি) বিরুদ্ধে এর আগে তিনবার অভিযোগ দিয়েছি যে তাকে প্রত্যাহার করার জন্য। সিইসি বলেছেন, তাকে সরানো যাবে না। ওই ব্যক্তিকে রাখা হয় যাতে করে নির্বাচনটি এমনিভাবে হয়। আজকে সেভাবে নির্বাচনটা হয়েছে। এ জন্য ওনাদের আমরা ধন্যবাদ দেই। সরকার যেভাবে চেয়েছে সেভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে সিইসি।
আওয়ামী লীগের অভিযোগ, অরাজকতার জন্য গতরাতে ফোনে নির্দেশ দেন বিএনপি নেতারা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুলু বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কিছু জানা নেই।
দলটির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেন, খুলনা সিটির মতো গাজীপুর সিটি নির্বাচনের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করার দাবি করেছিলাম আমরা। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ইসি। ফলে পুলিশ সুপার এবং তার নেতৃত্বে জ্যাকেট পরা ডিবি পুলিশ সেখানে চূড়ান্ত রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। তিনি বলেন, ২১টি কেন্দ্র থেকে পুলিশ, জ্যাকেট পরা ডিবি পুলিশ এবং সাদা পোশাকের পুলিশের নেতৃত্বে আমাদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় আমাদের প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
ইসির মোবাইল টিম, মনিটরিং টিম থেকে আমরা কোনো সহযোগিতা পায়নি। সিইসিকে আমরা সব জানিয়েছি। তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে বলেছেন। আমরা এতে আশ্বস্ত হতে পারিনি। এসময়ে প্রতিনিধি দলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সও উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন ডেস্ক

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2015
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তাহোস্ট